একটু একটু করে হাটতে শেখা

জীবন থেকে ২ যুগ পার করে ফেলেছি। আজ নিজের সব কাজ নিজে ই করতে পারি। নিজের পায়ে দাড়াতে শিখেছি। কিন্তু এমন একটা সময় ছিল যখন সোজা হয়ে দাড়ানোর জন্য আমার কার ও সাহায্যের দরকার হত। হামাগুড়ি দিয়ে চলতে ও পারতাম না। তখন যে আমাকে হাত ধরে হাটতে শিখিয়েছে, তিনি আমার পরম শ্রদ্ধেয় বাবা।

১৯৯৩ সালের ২ অক্টোবর নানা বাড়িতে প্রথম পৃথিবীর আলো দেখেছিলাম। দুনিয়ার সব থেকে অসহায় প্রাণী তখন আমি। মনের কথা মুখ ফুটে বলতে পারছিনা, কিছু দরকার হলে চাইতে পারছিনা, শুধু শব্দ করে কাদতে পারি আর কিছুনা। ওই মুহুর্তে আমার সব থেকে আপন, আমার মা, যাকে কিছু ই বুঝিয়ে দিতে হয় না, নিজে থেকে সব বুঝে নেন।

ধীরে ধীরে মানব জীবনের সমস্ত অধ্যায় অতিক্রম করে মানুষ তার জীবনে অতিবাহিত করে থাকেন। জন্মের পর একটি শিশু হাটতে ও পারে না, কিন্তু বাস্তব জীবনে তাকে অনেক যুদ্ধ অতিক্রম করতে হয়, দৌড়ে অনেক দুরত্ব অতিক্রম ও করতে হয়। ভাবতে ও অবাক লাগে জীবন এর গতি প্রকৃতপক্ষে কেমন ! আজ আমি দৌড়াতে পারি, কিন্তু যখন আমার জন্ম হয়েছিল তখন আমি সোজা হয়ে দাড়াতে ও পারতাম না। এর ই নাম জীবন। তবে সত্যিকার অর্থে প্রত্যেক টা সন্তানের কাছে তার পিতা-মাতা আসলে ই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাদের জন্য এই আজ কের আমি। তাদের ঋণ কোনো দিন ও শোধ করতে পারবনা।

সালাম দুনিয়ার সকল পিতা-মাতা কে।

Comments

comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *